প্রচ্ছদ

চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে সিলেটে যা বললেন এইচ টি ইমাম

30 September 2019, 22:09

মবরুর আহমদ সাজু
স্টাফ রিপোর্ট:
চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো চিন্তায় আছে সরকার প্রয়োজন হলে বাড়াতে পারে। সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে  জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন এইচ টি ইমাম। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সিলেটের নজরুল অডিটোরিয়ামে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন- সিআরআই’র সহযোগিতায় ‘গৌরবের অভিযাত্রায় ৭০ বছর: তারুণ্যের ভাবনায় আওয়ামী লীগ’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় নিয়োগ পরীক্ষায় আলাদা কোন ফি নেয়া হয় কিনা জানতে চান উপস্থিত তরুণদের কাছে। পরে তরুণদের ‘হ্যাঁ’ সূচক উত্তরে তিনি বলেন, ‘নিয়োগ পরীক্ষায় যাতে আলাদা কোন ফি না নেয়া হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করা হবে।’
এইচ টি ইমাম বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকবে বলে জানান। তরুণদের সাথে মতবিনিময়  প্রশ্নউত্তর পর্বে
স্থানীয় গণমাধ্যমের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে
এইচ টি ইমাম বলেন,অল্প বয়সে যতনা ধারন ক্ষমতা বাড়তে থাকে বয়স বাড়লে ততটি ক্ষমতে তাকে। তিনি বলেন,
নবীন চাকুরী প্রার্থীদের তুলনায় পুরাতন প্রার্থীরা পরীক্ষায় বেশিরভাগ অকৃতকার্য হয়ে থাকে। ফলে  চাকুরীতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো চিন্তার বিষয়। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে  যে কথা ছিল সেটা নিয়ে ভাবতে হবে।প্রয়োজন হলে বাড়ানো হতে পারে। কারন  তরুণ সমাজ আমাদের দেশের সম্পদ
তাদের কে কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন,
পাকিস্তান পিয়টে আমাদের সময় ২৫ছিল পরবর্তিতে ২৮ করা হয়,এর পর এখন ৩০ হয়েছে। এছাড়া
১৯৯০ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭ বছর। ১৯৯১ সালে তা বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়। এরপর আর বয়সসীমা বাড়েনি। তবে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সরকারি চাকরিতে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স ৫৭ থেকে দুই বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়।  মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়।
আওয়ামী লীগের প্রচার-প্রকাশনা উপকমিটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রী ইমরান আহমদ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, শেখ তন্ময় এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, উপ-প্রচার সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, সদস্য ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহাগরের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ