প্রচ্ছদ

বুয়েটে ছাত্রলীগের অফিসসহ ৩ রুম সিলগালা

১২ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:৩৬

শুভ প্রতিদিন

প্রতিদিন ডেস্ক:

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের অংশ হিসেবে এই তিনটি রুম সিলগালা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রকল্যাণের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের অফিস রুম হিসেবে ব্যবহৃত আহসানউল্লাহ হলের ১২১ নম্বর রুমসহ তিনটি কক্ষ সিলগালা করেছে বুয়েট ছাত্রকল্যাণ।  শনিবার (১২ অক্টোবর) বুয়েট ছাত্রকল্যাণের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  ১২১ নম্বর ছাড়াও অন্য দুটি রুমের মধ্যে রয়েছে- আহসানউল্লাহ হলের ৩২১ নম্বর ও শের-ই-বাংলা হলের ৩০১২ নম্বর রুম। রুম দুটি যথাক্রমে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জামী উস সানী এবং সাধারণ সম্পাদক ও আবরার হত্যা মামলার আসামি মেহেদী হাসান রাসেল ব্যবহার করতেন।

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের অংশ হিসেবে এই তিনটি রুম সিলগালা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ড. মিজানুর রহমান।  শুক্রবার (১০ অক্টোবর) আবরার ফাহাদ হত্যার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা দেন ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। পাশাপাশি ১৯ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

এ সময় ভিসি বলেন, “নিজস্ব ক্ষমতাবলে আমি ক্যাম্পাসে সব ধরনের সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি। একইসাথে আবরার হত্যায় জড়িত ১৯জনকে সাময়িক বহিষ্কার করছি।”

উল্লেখ্য, আবরার হত্যার পর বুয়েট শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির একটি ছিল ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।

গত রোববার (৫ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে বুয়েটের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে (২১) বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে মারধর করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর হলের সিড়ি থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে বুয়েটের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. মাসুক এলাহি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবরার হত্যায় দায়ের করা মামলায় এপর্যন্ত ১৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন। মামলাটি মঙ্গলবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়।